SupportTypically replies within a day
Support
Hello! 👋🏼 What can we do for you?
17:04 Back to Blogs
কখন বাইকের ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করবেন, কিভাবে চেক করবেন এবং বাংলাদেশে বাইক চালিয়ে ইঞ্জিন ভালো রাখার উপায়
একটি মোটরসাইকেলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ইঞ্জিন। আর ইঞ্জিন ঠিক রাখার জন্য সবচেয়ে দরকারি জিনিস হলো ইঞ্জিন অয়েল। সময়মতো ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন না করলে বাইকের পারফরম্যান্স কমে যায়, মাইলেজ খারাপ হয় এবং ইঞ্জিনের ক্ষতি হতে পারে।
এই লেখায় জানবেন কখন ইঞ্জিন অয়েল বদলানো উচিত, কিভাবে নিজে চেক করবেন এবং বাংলাদেশের রাস্তায় বাইক চালিয়ে ইঞ্জিন ভালো রাখার কিছু সহজ উপায়।
কখন ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করবেন?
ইঞ্জিন অয়েল কতদিন পর বদলাতে হবে তা নির্ভর করে আপনি কোন ধরনের অয়েল ব্যবহার করছেন এবং কিভাবে বাইক চালান তার ওপর।
সাধারণভাবে,
- মিনারেল অয়েল ১৫০০ থেকে ২০০০ কিলোমিটার
- সেমি সিনথেটিক অয়েল ২৫০০ থেকে ৩০০০ কিলোমিটার
- ফুলি সিনথেটিক অয়েল ৩৫০০ থেকে ৫০০০ কিলোমিটার
তবে ক্ষেত্র বিশেষে আপনাকে এর আগেও ইঞ্জিন ওয়েল বদলাতে হতে পারে।
বাংলাদেশে যেহেতু রাস্তা, ট্রাফিক জ্যাম এবং ধুলাবালি বেশি, তাই অনেক সময় নির্ধারিত কিলোমিটারের আগেই অয়েল পরিবর্তন করা ভালো।
যে লক্ষণ দেখলে অয়েল বদলানো দরকার
- ইঞ্জিন বেশি গরম হওয়া
- ইঞ্জিনের শব্দ বেড়ে যাওয়া
- মাইলেজ কমে যাওয়া
- অয়েল কালচে বা পোড়া গন্ধ হওয়া
কিভাবে নিজে ইঞ্জিন অয়েল চেক করবেন? ইঞ্জিন অয়েল চেক করা খুব সহজ এবং ঘরেই করা যায়।
- প্রথমে বাইক সোজা করে দাঁড় করান
- ইঞ্জিন বন্ধ করে দুই থেকে তিন মিনিট অপেক্ষা করুন
- ডিপস্টিক বা অয়েল লেভেল গ্লাস খুঁজে বের করুন
ডিপস্টিক থাকলে,
- ডিপস্টিক খুলে পরিষ্কার করুন
- আবার ঢুকিয়ে বের করুন
- অয়েল মিনিমাম এবং ম্যাক্সিমাম মার্কের মধ্যে আছে কিনা দেখুন
যদি অয়েল লেভেল কম থাকে, তাহলে অয়েল যোগ করুন। খুব কমে গেলে পুরো অয়েল পরিবর্তন করা ভালো।
বাংলাদেশে বাইক চালিয়ে ইঞ্জিন ভালো রাখার সহজ উপায় -
- সকালে বাইক স্টার্ট দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে জোরে রেস দেবেন না। ইঞ্জিন একটু গরম হতে দিন।
- ট্রাফিক জ্যামে দীর্ঘ সময় ক্লাচ চেপে ধরে রাখবেন না। সম্ভব হলে নিউট্রাল দিন।
- আপনার বাইকের জন্য যেই গ্রেডের অয়েল নির্ধারিত আছে, সেটাই ব্যবহার করুন।
- ধুলাবালির কারণে এয়ার ফিল্টার দ্রুত নোংরা হয়। দুই থেকে তিন হাজার কিলোমিটার পরপর এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার বা পরিবর্তন করুন।
- নিয়মিত সার্ভিসিং করান। শুধু ইঞ্জিন অয়েল নয়, চেইন, ব্রেক, স্পার্ক প্লাগ সবকিছুর যত্ন নিন।
সংক্ষেপে বলা যায়, সময়মতো ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করলে ইঞ্জিন দীর্ঘদিন ভালো থাকে। নিয়মিত চেক করলে বড় ক্ষতি হওয়ার আগেই সমস্যা ধরা পড়ে। আর বাংলাদেশে সচেতনভাবে বাইক চালালে আপনার বাইক পারফরম্যান্স এবং মাইলেজ দুইটাই ভালো দেবে।

To Get Authentic Mineral Motorcycle Engine oil in Bangladesh; Click Here or call us at 01896108915
ইঞ্জিন অয়েল বদলানোর বিষয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা
১. ইঞ্জিন অয়েল কালো না হলে বদলানোর দরকার নেই - অনেকেই মনে করেন অয়েল কালো হলেই শুধু বদলাতে হয়। আসলে ইঞ্জিন অয়েল কাজ করতে করতেই রং পরিবর্তন করে। রং ঠিক থাকলেও অয়েলের লুব্রিকেশন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
২. সব বাইকে একই ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা যায় - সব বাইকের ইঞ্জিন ডিজাইন এক নয়। এক বাইকের জন্য যেই গ্রেডের অয়েল ঠিক, অন্য বাইকের জন্য সেটা ক্ষতিকর হতে পারে। সব সময় বাইকের ম্যানুয়াল অনুযায়ী অয়েল ব্যবহার করা উচিত।
২. সব বাইকে একই ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা যায় - সব বাইকের ইঞ্জিন ডিজাইন এক নয়। এক বাইকের জন্য যেই গ্রেডের অয়েল ঠিক, অন্য বাইকের জন্য সেটা ক্ষতিকর হতে পারে। সব সময় বাইকের ম্যানুয়াল অনুযায়ী অয়েল ব্যবহার করা উচিত।
৩. নতুন বাইকে অনেকদিন অয়েল বদলাতে হয় না - নতুন বাইকের ইঞ্জিনে শুরুতে বেশি ধাতব কণা তৈরি হয়। তাই প্রথম সার্ভিসেই ইঞ্জিন অয়েল বদলানো খুব জরুরি।
৪. ফুলি সিনথেটিক অয়েল একবার দিলে অনেকদিন চিন্তা নেই - ফুলি সিনথেটিক অয়েল ভালো হলেও সেটারও নির্দিষ্ট লাইফ আছে। ট্রাফিক জ্যাম, গরম ও ধুলাবালির কারণে বাংলাদেশে অনেক সময় আগেই বদলানো প্রয়োজন।
৫. অয়েল বেশি দিলে ইঞ্জিন আরও ভালো থাকবে - অয়েল বেশি থাকলে ইঞ্জিনে চাপ পড়ে, ফোম তৈরি হয় এবং সিল ও গ্যাসকেট ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অয়েল সব সময় নির্দিষ্ট লেভেলে রাখা উচিত।
৬. অয়েল বদলালেই সার্ভিসিং শেষ - অনেকেই ভাবেন শুধু অয়েল বদলালেই বাইক সার্ভিস হয়ে যায়। আসলে এয়ার ফিল্টার, চেইন, ব্রেক, স্পার্ক প্লাগ সবকিছুই নিয়মিত চেক করা দরকার।
৭. একই অয়েল সব আবহাওয়ায় ভালো কাজ করে - গরম, ঠান্ডা ও ট্রাফিক পরিস্থিতি অনুযায়ী অয়েলের ভিসকসিটি গুরুত্বপূর্ণ। ভুল ভিসকসিটির অয়েল ইঞ্জিনের ক্ষতি করতে পারে।
ইঞ্জিন অয়েল নিয়ে ভুল ধারণা ইঞ্জিনের আয়ু কমিয়ে দেয়। সঠিক সময়ে সঠিক গ্রেডের অয়েল ব্যবহার করাই বাইক ভালো রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়।
ইঞ্জিন সেগমেন্ট অনুযায়ী Recommended Engine Oil Grade কোন বাইকে কত লিটার ইঞ্জিন অয়েল দরকার (বাংলাদেশের জন্য)?
মোটরসাইকেল ইঞ্জিন অয়েল ধারণক্ষমতা তালিকা (প্রায়মান)
100cc সেগমেন্ট
- সাধারণ commuter/100 cc বাইকগুলো সাধারণত ~0.9 – 1.0 লিটার ইঞ্জিন অয়েল ধারণ করে।
- উদাহরণ: Hero Splendor, Bajaj CT100, Roadmaster Velocity 100 ইত্যাদি — প্রায় ১.০ লিটার অয়েল।
110cc সেগমেন্ট
- TVS Metro, Hero HF Deluxe, Dayun Plight 110 — সাধারণত ~0.9 – 1.0 লিটার।
- 110 cc বাইকগুলো অয়েল মাত্রা 100 cc-এর কাছাকাছি থাকে।
125cc সেগমেন্ট
- Popular 125 cc commuter/standard bikes যেমন Honda Dream, Yamaha YBR125, Suzuki Access 125 ইত্যাদি — প্রায় 1.0 – 1.1 লিটার।
150 – 160cc সেগমেন্ট
- Pulsar 150, Honda CB 150, Yamaha FZS, Suzuki Gixxer 155 — প্রায় 1.0 – 1.2 লিটার।
155cc (Sport / ADV) সেগমেন্ট
- Yamaha XSR155, MT-15/ R15, Gixxer 155 — প্রায় 1.1 – 1.2 লিটার গুরুত্বপূর্ণ।
200 – 250cc সেগমেন্ট
- Bigger middleweight bikes, যেমন Pulsar 220, Yamaha Fazer 25, CFMoto 250NK — সাধারণত 1.3 – 1.5 লিটার সুযোগ থাকে।
350cc সেগমেন্ট
- Classic/retro বা adventure bikes যেমন Royal Enfield 350 cc সিরিজ — প্রায় 1.5 – 1.8 লিটার ইঞ্জিন অয়েল ধারণ করে।
সংক্ষেপে বলতে গেলে;
- 100-110 cc: ~0.9 – 1.0 L
- 125 cc: ~1.0 – 1.1 L
- 150-160 cc: ~1.0 – 1.2 L
- 155cc sport: ~1.1 – 1.2 L
- 200-250 cc: ~1.3 – 1.5 L
- 350 cc: ~1.5 – 1.8 L
এগুলো approximate average oil capacity; exact number আপনার বাইক ম্যানুয়াল বা ডিপস্টিক-গ্লাস-এর মাধ্যমে নিশ্চিত করুন।
ইঞ্জিন সেগমেন্ট অনুযায়ী Recommended Engine Oil Grade
ইঞ্জিন সেগমেন্ট অনুযায়ী Recommended Engine Oil Grade
- 100–110cc: 10W-30 / 10W-40
- 125cc: 10W-30 / 10W-40
- 150–160cc: 10W-40
- 155cc Sport: 10W-40 (Synthetic)
- 200–250cc: 10W-40 / 15W-50
- 350cc: 15W-50 / 20W-50
গুরুত্বপূর্ণ টিপস
- সবসময় JASO MA / MA2 certified অয়েল ব্যবহার করুন
- অতিরিক্ত গরম ও জ্যামে চললে 10W-40 বা তার উপরের গ্রেড নিরাপদ
- সময়মতো অয়েল বদল না করলে গ্রেড ভালো হলেও লাভ নেই
Comments (0)
Leave a Comment