SupportTypically replies within a day
Support

Hello! 👋🏼 What can we do for you?

11:48
cart
Back to Blogs

বাইকের রেজিস্ট্রেশন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ট্যাক্স টোকেন, স্মার্ট কার্ড ও নাম্বার আপডেট — সম্পূর্ণ গাইড ২০২৫

5 months ago 8 min read
বাংলাদেশে মোটরবাইক এখন শুধু চলাচলের মাধ্যম নয়, বরং এটি স্বাধীনতা ও সময় বাঁচানোর প্রতীক। কিন্তু বাইক কেনার পর বেশিরভাগ রাইডারই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন—  
রেজিস্ট্রেশন কোথায় করব? ড্রাইভিং লাইসেন্স কিভাবে পাব? ট্যাক্স টোকেন রিনিউ করতে হয় কিভাবে? স্মার্ট কার্ড ও নাম্বারের স্ট্যাটাস অনলাইনে দেখা যায় কীভাবে? বাইক রেজিস্ট্রেশন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ট্যাক্স টোকেন ও স্মার্ট কার্ড গাইড ২০২৫ | BRTA অনলাইন সার্ভিস 
চলুন একে একে জেনে নেই সবকিছু সহজভাবে👇 

বাইকের রেজিস্ট্রেশন কিভাবে করবেন 

বাইক রেজিস্ট্রেশন করতে হলে আপনাকে BRTA (Bangladesh Road Transport Authority) অফিসে যেতে হবে বা অনলাইনে আবেদন করতে হবে। 
 
যে কাগজপত্র লাগবে: 
  • বাইকের ইনভয়েস/বিল বা শোরুম রিসিট
  • ম্যানুফ্যাকচারার সার্টিফিকেট (Form–19) বা ২২ পেজের ফাইল
  • মালিকের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স কপি
  • টিআইএন (TIN) সার্টিফিকেট (কোম্পানীর বাইক হলে)
  • ঠিকানার প্রমাণ (বিদ্যুৎ বিল/ভাড়া রসিদ ইত্যাদি)
  • বাইকের ছবি ও ইঞ্জিন/চ্যাসিস নাম্বার
  • মালিকের ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি

অনলাইন আবেদন:
👉 https://bsp.brta.gov.bd/

এখান থেকে “New Registration” অপশন সিলেক্ট করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করুন।
 
রেজিস্ট্রেশন ফি কত এবং কিসের উপর নির্ভর করে:
বাইকের সিসি (cc), মডেল, এবং মালিকানা (ব্যক্তিগত/কমার্শিয়াল) এর ওপর।
আপনার বাইকের ফি হিসাব করতে ক্লিক করুন

ড্রাইভিং লাইসেন্স কিভাবে করবেন 


Step 1: Learner’s License এর জন্য আবেদন করুন
👉Page 1 or Page 2
থেকে “Learner’s License” এ ক্লিক করুন।
আপনি একটি ট্রেনিং কার্ড পাবেন, যার মাধ্যমে ৩ মাস প্র্যাকটিস করতে পারবেন। 

Step 2: লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষা দিন
BRTA অফিসে নির্ধারিত তারিখে লিখিত ও রাইডিং টেস্ট দিতে হয়। 

Step 3: উত্তীর্ণ হলে স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু হয়। 
ডকুমেন্ট যা লাগবে: 
  • এনআইডি
  • পাসপোর্ট সাইজ ছবি
  • মেডিকেল সার্টিফিকেট
  • ট্রেনিং কার্ড (Learner’s License)
 

ট্যাক্স টোকেন রিনিউ কিভাবে করবেন 

প্রতি বছর বাইকের ট্যাক্স টোকেন নবায়ন করা বাধ্যতামূলক। 
অনলাইনে রিনিউ করতে পারেন এখান থেকে:
 👉 https://bsp.brta.gov.bd/tax-token
 
প্রয়োজনীয় তথ্য: 
  • রেজিস্ট্রেশন নাম্বার
  • চ্যাসিস নাম্বার
  • আগের ট্যাক্স টোকেন নম্বর
ফি: বাইকের সিসি অনুযায়ী নির্ধারিত হয় (যেমন ১১০–১৫০cc বাইকের জন্য প্রায় ১,০০০–১,২০০ টাকা)।
 

স্মার্টকার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

 👉 নির্ধারিত ফরমে আবেদন।
 👉 রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট।
 👉 ন্যাশনাল আইডি কার্ড এর সত্যায়িত ফটোকপি।
 👉 নির্ধারিত ফী বিআরটিএ’র নির্ধারিত ব্যাংকে জমাদানের রশিদ।
 👉 পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন।
 👉 সদ্য তোলা ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি। 
 
সেখানে রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সার্চ করলে দেখা যাবে আপনার স্মার্ট কার্ড প্রস্তুত হয়েছে কিনা। 

নাম্বারের আপডেট অনলাইনে কিভাবে জানবেন 

অনেকে জানতে চান— আমার বাইকের নাম্বার প্রসেসিং অবস্থায় আছে নাকি প্রস্তুত?
 সেটি চেক করার সবচেয়ে সহজ উপায়: 
👉 ভিজিট করুন https://bsp.brta.gov.bd/registrationstatus

তারপর আপনার বাইকের চ্যাসিস নাম্বার বা আবেদন আইডি দিন।
স্ট্যাটাসে দেখা যাবে: “Processing”, “Ready for Delivery” বা “Delivered”। 
 
গুরুত্বপূর্ণ টিপস 
 👉সবসময় BRTA অনুমোদিত এজেন্ট বা অফিসিয়াল সাইট থেকেই কাজ করুন।
 👉ফেইক রেজিস্ট্রেশন বা লাইসেন্সে ধরা পড়লে মামলা ও জরিমানা হতে পারে।
 👉রেজিস্ট্রেশন, লাইসেন্স ও ট্যাক্স টোকেন আপডেট রাখতে ভুলবেন না।
 👉মোবাইল এসএমএসেও আপডেট পেতে পারেন যদি আবেদন ফর্মে মোবাইল নম্বর যুক্ত থাকে। 

লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

 👉 নির্ধারিত ফরমে আবেদন অনলাইনে আবেদন।
 👉 আবেদনকারীর ছবি [ছবির সাইজ সর্বোচ্চ ১৫০ কেবি (৩০০ x ৩০০ পিক্সেল)]
 👉 রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি)। মেডিক্যাল সার্টিফিকেটের ফর্মের জন্য  এখানে ক্লিক করুন ]
👉 জাতীয় পরিচয়পত্রের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি)
👉 ইউটিলিটি বিলের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি), [ আবেদনকারীর বর্তমান ঠিকানা এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানা যদি ভিন্ন হয় তবে বর্তমান ঠিকানার ইউটিলিটি বিল সংযুক্ত করতে হবে ]
👉 বিদ্যমান ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্ক্যান কপি [ ড্রাইভিং লাইসেন্সের নবায়ন/শ্রেণী পরিবর্তন/শ্রেণী সংযোজন/ লাইসেন্সের ধরণ পরিবর্তণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ] (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি)
👉 অনলাইনে আবেদন দাখিলের সময় ভুয়া তথ্য প্রদান করা হলে তার লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
👉 নির্ধারিত ফী, ১ ক্যাটাগরি-৫১৮/-টাকা ও ২ ক্যাটাগরি-৭৪৮/-টাকা অনলাইনে পরিশোধ।

লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পুনরায় একটি নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফী প্রদান করে স্মার্টকার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য সংশিস্নষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। গ্রাহকের বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ) গ্রহণপূর্বক স্মার্ট কার্ড ইস্যু করা হয়। স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রন্টিং সম্পন্ন হলে গ্রাহককে এসএমএস এর মাধ্যমে তা গ্রহণের বিষয়টি জানিয়ে দেয়া হয়। 

পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রকৃতিঃ

(১) পেশাদার হালকা (মোটরযানের ওজন ২৫০০কেজি-এর নিচে) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হবে, (২) পেশাদার মধ্যম (মোটরযানের ওজন ২৫০০ থেকে ৬৫০০ কেজি) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পেশাদার হালকা ড্রাইভিং লাইসেন্সের ব্যবহার কমপক্ষে ০৩ বছর হতে হবে।
(৩) পেশাদার ভারী (মোটরযানের ওজন ৬৫০০ কেজির বেশী) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পেশাদার মধ্যম ড্রাইভিং লাইসেন্সের ব্যবহার কমপক্ষে ০৩ বছর হতে হবে। 
 
ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন বা রিনিউ প্রক্রিয়া:
(ক) অপেশাদারঃ
গ্রাহককে প্রথমে নির্ধারিত ফি ( মেয়াদোত্তীর্ণের ১৫ দিনের মধ্যে হলে ৪,২১২/- টাকা ও মেয়াদোত্তীর্ণের ১৫ দিন পরে প্রতি বছর ৫১৮/- টাকা জরিমানাসহ) জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিআরটিএর নির্দিষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্র ও সংযুক্ত কাগজপত্র সঠিক পাওয়া গেলে একইদিনে গ্রাহকের বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ) গ্রহণ করা হয়। স্মার্ট কার্ড প্রন্টিং সম্পন্ন হলে গ্রাহককে এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়।

(খ) পেশাদারঃ
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সধারীদেরকে পুনরায় একটি ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষায় উত্ত্তীর্ণ হওয়ার পর নির্ধারিত ফি ( মেয়াদোত্তীর্ণের ১৫ দিনের মধ্যে হলে ২,৪৮৭/- টাকা ও মেয়াদোত্তীর্ণের ১৫ দিন পরে প্রতি বছর ৫১৮/- টাকা জরিমানাসহ ) জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিআরটিএর নির্দিষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। গ্রাহকের বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ) গ্রহণের জন্য গ্রাহককে নির্দিষ্ট সার্কেল অফিসে উপস্থিত হতে হয়। স্মার্ট কার্ড wপ্রন্টিং-এর সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে গ্রাহককে এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
১। নির্ধারিত ফরমে আবেদন;
২। রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট (পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য);
৩। ন্যাশনাল আইডি কার্ড -এর সত্যায়িত ফটোকপি;
৪। নির্ধারিত ফি জমাদানের রশিদের বিআরটিএ কপি;
৫। সদ্য তোলা ০২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি;
 
ডুপ্লিকেট লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়া :
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
১। নির্ধারিত ফরমে আবেদন।
২। জিডি কপি ও ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স।
৩। নির্ধারিত ফী বিআরটিএ’র নির্ধারিত ব্যাংকে জমাদানের রশিদ।
৪। সদ্য তোলা ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।

বিএসপি অ্যাকাউন্ট কি এবং কিভাবে খুলতে হবে?
বিএসপি (BSP) হলো বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল (BRTA Service Portal), যা মোটরযান সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা, যেমন - ফিটনেস অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও ড্রাইভিং লাইসেন্স আপডেট করতে ব্যবহার করা হয়। একটি বিএসপি অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে bsp.brta.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে এবং নাম, এনআইডি, মোবাইল নম্বর, ইমেইল আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। 

বিএসপি অ্যাকাউন্ট খোলার ধাপ
  1. পোর্টালে যান: আপনার ব্রাউজারে https://bsp.brta.gov.bd/register?lan=en ওয়েবসাইটে যান।
  2. নিবন্ধনে ক্লিক করুন: "নিবন্ধন করুন" বাটনে ক্লিক করুন।
  3. প্রয়োজনীয় তথ্য দিন: আপনার নাম, জন্ম তারিখ, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (NID), মোবাইল নম্বর, ইমেইল আইডি এবং একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে ফর্মটি পূরণ করুন।
  4. নিবন্ধন সম্পন্ন করুন: "নিবন্ধন করুন" বাটনে ক্লিক করে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করুন।
  5. ইমেইল ভেরিফাই করুন: আপনার দেওয়া ইমেইলে বিএসপি থেকে একটি ইউজার অ্যাক্টিভেশন লিংক পাঠানো হবে। সেই লিংকে ক্লিক করে আপনার অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করুন।
  6. লগইন করুন: আপনার ইমেইল আইডি বা মোবাইল নম্বর এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে পোর্টালে লগইন করুন।
  7. OTP দিয়ে ভেরিফাই করুন: মোবাইলে প্রাপ্ত ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (OTP) প্রদান করে আপনার অ্যাকাউন্টটি ভেরিফাই করুন। 
 

নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের রঙ পরিবর্তন করার অনুমোদনের প্রক্রিয়া

মোরটযানের মালিক কে প্রথমে ব্যাংকে মোটরযানের মডিফিকেশন (রং পরিবর্তন সংক্রান্ত) ফি জমা দিতে হবে। এরপর রং পরিবর্তনের অনুমোদনের জন্য মোটরযানটি বিআরটিএ’র যে সার্কেলে নিবন্ধিত বা অন্তর্ভুক্ত আছে সে সার্কেলের মোটরযানের মালিকানা বদলী শাখার সহকারী পরিচালক(ইঞ্জিনিয়ারিং) অথবা মোটরযানের মালিকানা বদলী শাখা না থাকলে ঐ সার্কেলে সহকারী পরিচালক(ইঞ্জিনিয়ারিং) ও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের নিকট উপযুক্ত কারণ ব্যাখ্যা করে প্রমাণকসহ সাদা কাগজে আবেদন করতে হবে এবং মোটরযানটি সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য হাজির করতে হবে। উক্ত আবেদন যাচাই করে সঠিক পাওয়া গেলে সহকারী পরিচালক(ইঞ্জিনিয়ারিং) উক্ত মোটরযানটি পরিদর্শনের জন্য মোটরযান পরিদর্শকে নির্দেশনা প্রদান করবেন। সন্তোষজনক পরিদর্শন প্রতিবেদন পাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ উক্ত মোটরযানের রং পরিবর্তনের অনুমোদন প্রদান করবেন এবং একটি প্রাপ্তিস্বীকার পত্র প্রদান করেন যা অস্থায়ী নিবন্ধন সনদ হিসেবে কাজ করবে। উক্ত প্রাপ্তিস্বীকার পত্রে নতুন নিবন্ধন সনদ/ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ডিআরসি) প্রদানের সম্ভাব্য তারিখ উল্লেখ থাকবে। এরপর ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের প্রস্তুতের কার্যক্রম সম্পন্ন হলে, তা সংগ্রহের জন্য গ্রাহকের মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। 

প্রয়োজনীয় দলিলাদি:
১। মালিকের স্বাক্ষর সম্বলিত আবেদন পত্র - ০১ কপি;
২। মূল নিবন্ধন সনদ (কাগজের নিবন্ধন সনদ হলে হোম কপিও জমা দিতে হবে);
৩। রং পরিবর্তন ফি জমার রশিদের বিআরটিএ’র কপি;
৪। হালনাগাদ ফিটনেস সনদের ফটোকপি - ০১ কপি;
৫। হালনাগাদ ট্যাক্স টোকেনের ফটোকপি - ০১ কপি; 
 
মোটরযানের মালিকানা বদলী
  • ক্রয় সূত্রে
  • উত্তরাধিকার সূত্রে
  • দান সূত্রে
  • মালিকানা বদলী ফি
মালিকানা পরিবর্তন বা নেম ট্রান্সফার সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন
 
মোটরযানের/রেজিস্ট্রেশনের তথ্য পরিবর্তন
  • ইঞ্জিন পরিবর্তন
  • তথ্য সংশোধন
  • টায়ারের সাইজ(প্রস্থ) পরিবর্তন
  • পরিবর্তন/সংশোধন ফি
তথ্য সংশোধন বা পরিবর্তন করতে ক্লিক করুন এখানে
 
ড্রাইভিং পরীক্ষার নমুনা প্রশ্নোত্তর Set
  • ড্রাইভিং কম্পিটেন্সি পরীক্ষা গ্রহণ সংক্রান্ত পত্র (ক্লিক করুন)
  • এমসিকিউ প্রশ্নের নমুনা (ক্লিক করুন)
  • ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার নমুনা প্রশ্নপত্র (ক্লিক করুন)
 
বাইকের মামলার জরিমানা নির্ভর করে আপনি ঠিক কোন ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করেছেন তার উপর; জরিমানা হতে পারে কয়েক হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত, সাথে জেলও হতে পারে। কিছু সাধারণ কারণ ও সংশ্লিষ্ট জরিমানার মধ্যে রয়েছে হেলমেট ব্যবহার না করা (১০ হাজার টাকা পর্যন্ত), লাইসেন্স না থাকা (৫ হাজার টাকা পর্যন্ত), ফিটনেস না থাকা (২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত), বা বিমা না থাকা (৩ হাজার টাকা পর্যন্ত)। 
 
কিছু সাধারণ ট্রাফিক আইন ও তার জরিমানা:
  • হেলমেট ব্যবহার না করা: চালক ও সহযাত্রী উভয়ের জন্য অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
  • বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানো: অনধিক ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনধিক ১ মাস কারাদণ্ড।
  • ফিটনেসবিহীন বা মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়ি চালানো: সর্বোচ্চ ৬ মাসের জেল অথবা ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
  • বিমা ছাড়া রাস্তায় গাড়ি চালানো: ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
  • অতিরিক্ত ওজন বা যাত্রী বহন: অতিরিক্ত ওজন বহন বা অতিরিক্ত যাত্রী বহন করলে জরিমানা হতে পারে।
  • কাগজপত্র সাথে না রাখা বা আপডেট না থাকা: গাড়ির কাগজপত্র (যেমন ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, রুট পারমিট) বা লাইসেন্স সাথে না রাখলে জরিমানা হতে পারে। 
 
বাংলাদেশে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের জন্য জরিমানা ও শাস্তির পরিমাণ নির্ধারিত হয়েছে।
 
FAQs on মোটরসাইকেলের মামলা/কেইস এবং জরিমানার হার
ট্রাফিক আইন জরিমানা মোটরসাইকেল ২০২৫, মোটরসাইকেল আইন ও জরিমানা, বাইকের মামলা চেক, কোন মামলা কত জরিমানা ২০২৫, ট্রাফিক আইন জরিমানা, মোটরসাইকেল আইন ২০২৫, হেলমেট বিহীন জরিমানা ২০২৫, মোটরসাইকেল হেলমেট জরিমানা, ড্রাইভিং লাইসেন্সের জরিমানা, ৩ জন নিয়ে বাইক চালানোর জরিমানা, ভুল পথে বাইক চালানোর জরিমানা। 

Comments (0)

Leave a Comment